২০)"""" সেলফি """"
ভোরবেলাতে মনের ভেতর উঠল জমে কবিতা
পূব গগনে ঠিক তখনি উঁকি দিচ্ছেন সবিতা।
বিট্টু তখন ছাদে উঠে বলে গলার হাঁক ছাড়ি
"কাছে আয় সবিতা তোকে নিয়ে সেলফি গড়ি।"
এমন সময়ে পাশের ছাদের কিশোরী সে ববিতা
নেচে নেচে গাইতে থাকে রবিবাবুর কবিতা।
বিট্টু যখন সেলফি তোলে,পশ্চাতে তার সবিতা
ফটোয় দেখে সূর্য্য কোথায় ? এ যে দেখি ববিতা।
পূব গগনে ঠিক তখনি উঁকি দিচ্ছেন সবিতা।
বিট্টু তখন ছাদে উঠে বলে গলার হাঁক ছাড়ি
"কাছে আয় সবিতা তোকে নিয়ে সেলফি গড়ি।"
এমন সময়ে পাশের ছাদের কিশোরী সে ববিতা
নেচে নেচে গাইতে থাকে রবিবাবুর কবিতা।
বিট্টু যখন সেলফি তোলে,পশ্চাতে তার সবিতা
ফটোয় দেখে সূর্য্য কোথায় ? এ যে দেখি ববিতা।
২১) "উত্তর পুরুষ"
প্রথম যেদিন দেখা হল, সেদিন একাদশী,
আমি তখন অষ্টাদশ, তুমি পঞ্চদশী;
এলাকায় আমি তখন, উঠতি রোমিও;
তোমার বাবা শুনছি নাকি, নতুন বি ডি ও ?
চোখেই আমি বোঝাই তোমায়, আমার অনেক কথা,
তুমি রইলে মুখ ঘুরিয়ে, আজব লাজুক লতা;
অনকদিন পরে আবার, হল মোদের দেখা,
ভালো লাগে দেখে, তোমার সিঁথির রঙ্গিন রেখা;
বর পেয়েছ, ঘর পেয়েছ, আছো তুমি সুখে,
তবু তুমি একটি বারও, তাকাও নি মোর দিকে;
দিন যায় মাস যায়, করলাম আমি বিয়ে,
তবু তোমার মুখটি কেন, যায়গো উকি দিয়ে;
আবার যন দেখা হল, বছর কুড়ি পরে,
শেষ বিকেলের হট্টগোলে, ধর্মতলার মোড়ে;
ছেলেকে ডেকে বললে তুমি, 'কাকু তোমার উনি
ছোট্টবেলার বন্দ্ধু আমার বছর পচিঁশ চিনি';
চুলে তোমার পাক ধরেছে, শরীর টাও ভারী,
আমারও তো টক পরেছে, সাদা হয়েছে দাড়ি;
সপরিবারে ঘুরতে ঘুরতে, গেছি একটা মলে,
তোমার মুখে মিস্টি হাসি, সঙ্গে তোমার ছেলে;
আমরা যখন ব্যস্ত, মোদের বাক্যালাপ নিয়ে,
হঠাৎ কোথায় গেল আমার পঞ্চদশি মেয়ে ?
আমি বলি চুপ চুপ, আর কোরো না ভূল,
দেখছো না ওরা কেমন, গল্পেতে মশগুল ?
আমি তখন অষ্টাদশ, তুমি পঞ্চদশী;
এলাকায় আমি তখন, উঠতি রোমিও;
তোমার বাবা শুনছি নাকি, নতুন বি ডি ও ?
চোখেই আমি বোঝাই তোমায়, আমার অনেক কথা,
তুমি রইলে মুখ ঘুরিয়ে, আজব লাজুক লতা;
অনকদিন পরে আবার, হল মোদের দেখা,
ভালো লাগে দেখে, তোমার সিঁথির রঙ্গিন রেখা;
বর পেয়েছ, ঘর পেয়েছ, আছো তুমি সুখে,
তবু তুমি একটি বারও, তাকাও নি মোর দিকে;
দিন যায় মাস যায়, করলাম আমি বিয়ে,
তবু তোমার মুখটি কেন, যায়গো উকি দিয়ে;
আবার যন দেখা হল, বছর কুড়ি পরে,
শেষ বিকেলের হট্টগোলে, ধর্মতলার মোড়ে;
ছেলেকে ডেকে বললে তুমি, 'কাকু তোমার উনি
ছোট্টবেলার বন্দ্ধু আমার বছর পচিঁশ চিনি';
চুলে তোমার পাক ধরেছে, শরীর টাও ভারী,
আমারও তো টক পরেছে, সাদা হয়েছে দাড়ি;
সপরিবারে ঘুরতে ঘুরতে, গেছি একটা মলে,
তোমার মুখে মিস্টি হাসি, সঙ্গে তোমার ছেলে;
আমরা যখন ব্যস্ত, মোদের বাক্যালাপ নিয়ে,
হঠাৎ কোথায় গেল আমার পঞ্চদশি মেয়ে ?
আমি বলি চুপ চুপ, আর কোরো না ভূল,
দেখছো না ওরা কেমন, গল্পেতে মশগুল ?
২২) "ঘড়ি-বাড়ি-গাড়ি"
দেওয়ালের ঐ ঘড়িটা, আশি বছর আগে... এমনই দিনে,
দাদু নিলাম থেকে এনেছিলেন পনের টাকায় কিনে;
লেখা আছে 'ওয়েস্টেন্ড ওয়াচ-১২/১২/১৯১২'
হয়তো পুরনো আরও......
দাদুর ছিল ঘড়ির সখ, শত শত ঘড়ি,
হাত ঘড়ি, দেয়াল ঘড়ি, পকেট ঘড়ি;
বাবার ছিল বাড়ির সখ, দশ বিশটা বাড়ি,
বাগান বাড়ি, বসত বাড়ি, ভুতুরে বাড়ি;
আমার না আছে ঘড়ি, না আছে বাড়ি,
তবে আছে অনেক গাড়ি.......শোরুম ভর্তি গাড়ি'
আসুন দাদা.... কোন মডেল চাই,
মারুতি, টাটা না হুন্ডাই ?
পূজোর আগে অন্তত দুপিস বিক্রি চাই,
নইলে কাল দেখবো... চাকরীটাই আর নাই।
দাদু নিলাম থেকে এনেছিলেন পনের টাকায় কিনে;
লেখা আছে 'ওয়েস্টেন্ড ওয়াচ-১২/১২/১৯১২'
হয়তো পুরনো আরও......
দাদুর ছিল ঘড়ির সখ, শত শত ঘড়ি,
হাত ঘড়ি, দেয়াল ঘড়ি, পকেট ঘড়ি;
বাবার ছিল বাড়ির সখ, দশ বিশটা বাড়ি,
বাগান বাড়ি, বসত বাড়ি, ভুতুরে বাড়ি;
আমার না আছে ঘড়ি, না আছে বাড়ি,
তবে আছে অনেক গাড়ি.......শোরুম ভর্তি গাড়ি'
আসুন দাদা.... কোন মডেল চাই,
মারুতি, টাটা না হুন্ডাই ?
পূজোর আগে অন্তত দুপিস বিক্রি চাই,
নইলে কাল দেখবো... চাকরীটাই আর নাই।
২৩) ““ভালো বাসা””
গাঁয়ের শেষে তালপুকুর,
রাঙ্গা বউয়ের পায়ে নুপুর;
পুকুর ভরা শাপলা ফুল,
রাঙ্গা বউয়ের ভিজে চুল;
পুকুর পারে মাটির ঘর,
বাম দিকেতে বাঁশের ঝাড়;
লাল মাটিতে নিকিয়ে খাসা,
তাল গাছেতে বাবুই বাসা;
লাউয়ের ডগা খড়ের চালে,
ধূপের ধোঁয়া তুলসীতলে;
পূবদিকেতে নাচ দুয়ার,
তার পাশেতে হাঁসের ঘর;
রোজ তিনটে হাঁসের ডিম,
বাঁশের বেড়ায় ঝুলছে সীম;
এঁদো ডোবায় ডাহুক ডাকে,
ঝগড়া করে তিনটে বকে;
ফুটছে ভাত কাঠের জ্বালে,
রাঙ্গা বউয়ের দুমুঠো চালে;
বাঁকিয়ে গ্রীবা নাচিয়ে নথ,
তাকিয়ে থাকে স্বামীর পথ;
সুজন যখন এল ঘরে,
বউটি হাসে মিষ্টি করে;
মুছিয়ে ঘাম আঁচল দিয়ে,
পাখার হাওয়া হাত ঘুরিয়ে;
কুয়োর জলে বালতি ভরে,
ঠান্ডা জলে চানটি সেরে;
গরম ভাতের গন্ধ ছড়ায়,
রাঙ্গা বউ পিয়াজ কুচায়;
পিয়াজ দিয়ে গুগলির ঝাল,
সঙ্গে খানিক গরম ডাল;
দুই জনেতে বসল খেতে,
একই সাথে একই পাতে;
খুনসুটির গুগলীর ঝাল,
আর ভালবাসার গরম ডাল।
রাঙ্গা বউয়ের পায়ে নুপুর;
পুকুর ভরা শাপলা ফুল,
রাঙ্গা বউয়ের ভিজে চুল;
পুকুর পারে মাটির ঘর,
বাম দিকেতে বাঁশের ঝাড়;
লাল মাটিতে নিকিয়ে খাসা,
তাল গাছেতে বাবুই বাসা;
লাউয়ের ডগা খড়ের চালে,
ধূপের ধোঁয়া তুলসীতলে;
পূবদিকেতে নাচ দুয়ার,
তার পাশেতে হাঁসের ঘর;
রোজ তিনটে হাঁসের ডিম,
বাঁশের বেড়ায় ঝুলছে সীম;
এঁদো ডোবায় ডাহুক ডাকে,
ঝগড়া করে তিনটে বকে;
ফুটছে ভাত কাঠের জ্বালে,
রাঙ্গা বউয়ের দুমুঠো চালে;
বাঁকিয়ে গ্রীবা নাচিয়ে নথ,
তাকিয়ে থাকে স্বামীর পথ;
সুজন যখন এল ঘরে,
বউটি হাসে মিষ্টি করে;
মুছিয়ে ঘাম আঁচল দিয়ে,
পাখার হাওয়া হাত ঘুরিয়ে;
কুয়োর জলে বালতি ভরে,
ঠান্ডা জলে চানটি সেরে;
গরম ভাতের গন্ধ ছড়ায়,
রাঙ্গা বউ পিয়াজ কুচায়;
পিয়াজ দিয়ে গুগলির ঝাল,
সঙ্গে খানিক গরম ডাল;
দুই জনেতে বসল খেতে,
একই সাথে একই পাতে;
খুনসুটির গুগলীর ঝাল,
আর ভালবাসার গরম ডাল।
২৪) ““ভোটের ভবিষ্যত””
কাল সকাল থেকে, হৈ হৈ কান্ড,
কেউ মারে গন্ডার, কেউ লুটে ভান্ডো;
কেউ হবে এম পি, কেউ বড় মন্ত্রী,
কেউ বা পিছন থেকে হবে ষড়যন্ত্রী;
ভয় হয় সব কিছু হবে না তো পন্ড ?
পরদার আড়ালেতে…. আছে নাকি ষন্ড ??
কেউ মারে গন্ডার, কেউ লুটে ভান্ডো;
কেউ হবে এম পি, কেউ বড় মন্ত্রী,
কেউ বা পিছন থেকে হবে ষড়যন্ত্রী;
ভয় হয় সব কিছু হবে না তো পন্ড ?
পরদার আড়ালেতে…. আছে নাকি ষন্ড ??
২৫) ""প্রশ্ন""
চৈত্রের দুপুরে অলস পাখিটা গায়,
গাঁয়ের রাস্তা দিয়ে ফেরিওয়ালা হেঁকে যায়।
পান খেয়ে রাঙ্গা মুখে পটলার বৌদি;
নাকি সুরে কথা কয়, হয়েছে যে সর্দি ।
ঘোষেদের বড়ভাই পাল্কীতে বসে হায়,
তামাকু খেতে খেতে কাছারীতে কাজে যায়।
গামছা কাঁধে নিয়ে পালেদের মদনা,
মাঠ থেকে বাড়ি ফেরে হাতে তার বদনা।
শীর্ষাসনে থেকে বাদুরটা হেঁকে যায়,
শশ্মানের শিয়ালটা ডেকে ডেকে তারে কয়;
রোদে ভাজা জোনাকিরা আলো কভু দেয় কি ?
জলে ভেজা চাতকেরা জল খেতে চায় কি ?
গাঁয়ের রাস্তা দিয়ে ফেরিওয়ালা হেঁকে যায়।
পান খেয়ে রাঙ্গা মুখে পটলার বৌদি;
নাকি সুরে কথা কয়, হয়েছে যে সর্দি ।
ঘোষেদের বড়ভাই পাল্কীতে বসে হায়,
তামাকু খেতে খেতে কাছারীতে কাজে যায়।
গামছা কাঁধে নিয়ে পালেদের মদনা,
মাঠ থেকে বাড়ি ফেরে হাতে তার বদনা।
শীর্ষাসনে থেকে বাদুরটা হেঁকে যায়,
শশ্মানের শিয়ালটা ডেকে ডেকে তারে কয়;
রোদে ভাজা জোনাকিরা আলো কভু দেয় কি ?
জলে ভেজা চাতকেরা জল খেতে চায় কি ?
২৬) ““““আমার প্রথম ঠাকুর দশর্ন””””
এখনও কি ঠাকুর দেখতে, যাস তেমন করে,
দখিন পাড়ার মাঠে, বাদাম তলার মোড়ে?
দুদিক পানে ঝুলিয়ে বেনী, লাল ফিতের ফুলে,
ঘটি হাতা বেঢপ জামা, হাটুর নীচে ঝুলে......?
আঁখির কাজল ধেবরে গিয়ে, মুখেতে পুল্টিস,
নতুন চটির ফোস্কা নিয়, লম্ফ দিয়ে হাঁটিস ?
আমি তখন পনেরো থেকে, ষোলয় দিলাম পা,
প্যান্ডেলেতে অনেক কাজ, দিয়েছে দাদারা।
তোকে দেখে ব্যাস্ত বড়ো, কাজ খুজে না পাই,
ভাব খানা এমন যেন (তোকে), দেখার সময় নাই।
অস্টমীতে তোকে দেখে, সবাই হেসে মরে,
আমিই শুধু আড়াল থেকে, দেখি দুচোখ ভরে।
অনেক কষ্টে পড়েছিস, মায়ের একটা শাড়ি,
কারন কদিন হ’ল (তোর) বাবলুদার, গজিয়েছে দাড়ি।
দখিন পাড়ার মাঠে, বাদাম তলার মোড়ে?
দুদিক পানে ঝুলিয়ে বেনী, লাল ফিতের ফুলে,
ঘটি হাতা বেঢপ জামা, হাটুর নীচে ঝুলে......?
আঁখির কাজল ধেবরে গিয়ে, মুখেতে পুল্টিস,
নতুন চটির ফোস্কা নিয়, লম্ফ দিয়ে হাঁটিস ?
আমি তখন পনেরো থেকে, ষোলয় দিলাম পা,
প্যান্ডেলেতে অনেক কাজ, দিয়েছে দাদারা।
তোকে দেখে ব্যাস্ত বড়ো, কাজ খুজে না পাই,
ভাব খানা এমন যেন (তোকে), দেখার সময় নাই।
অস্টমীতে তোকে দেখে, সবাই হেসে মরে,
আমিই শুধু আড়াল থেকে, দেখি দুচোখ ভরে।
অনেক কষ্টে পড়েছিস, মায়ের একটা শাড়ি,
কারন কদিন হ’ল (তোর) বাবলুদার, গজিয়েছে দাড়ি।
২৭) """"কিম্ভূত""""
ভুষন্ডির মাঠে আজ, ভূতেদের ফুটবলে,
মামদোরা জীনদের, হারালো সাতশো গোলে।
সন্ধ্যেবেলা শক্তিগড়-এ, ল্যাংচা ভূতের ছানা,
ভুলেও কভু দেয় না মুখে, হলুদ মিহিদানা।
ভূতের ছেলে ইস্কুলে যায়, ভূতের কাঁধে চড়ে,
ইস্কুল-টা দোতলা-তে, শ্যাওড়া গাছের 'পরে।
ভূতের পূজোয় প্রসাদ হ'ল, সুটকী মাছের ঝোল,
ভোগ খেয়ে সবাই বলে "বলো হরি বোল।"
বিজয়াতে যদি তুমি, কানে দাও সুড় সুড়ি,
বিনিময়ে খেতে পাবে, কাঁচা মাছ ঝুড়ি ঝুড়ি।
মামদোরা জীনদের, হারালো সাতশো গোলে।
সন্ধ্যেবেলা শক্তিগড়-এ, ল্যাংচা ভূতের ছানা,
ভুলেও কভু দেয় না মুখে, হলুদ মিহিদানা।
ভূতের ছেলে ইস্কুলে যায়, ভূতের কাঁধে চড়ে,
ইস্কুল-টা দোতলা-তে, শ্যাওড়া গাছের 'পরে।
ভূতের পূজোয় প্রসাদ হ'ল, সুটকী মাছের ঝোল,
ভোগ খেয়ে সবাই বলে "বলো হরি বোল।"
বিজয়াতে যদি তুমি, কানে দাও সুড় সুড়ি,
বিনিময়ে খেতে পাবে, কাঁচা মাছ ঝুড়ি ঝুড়ি।
২৮) *****আমি মাধুকর হতে চাই******
শুধু কবিতার জন্য আমি মাধুকরি জীবন নিয়ে
চলে যাবো অনেক দূরে।
দিবি তো একমুঠো ভিক্ষা আমাকে ?
একতারাটি ছাড়া সব কিছু দিয়ে যাবো তোকে।
নিবি তো আমার সব কিছুর দায়িত্ব ?
আমার মুঙ্গলি গাই- সকালে যে আমার ঘুম ভাঙ্গায়,
আমার নীলটুসী পাখি....নিত্য যে আমাকে গান শোনায় ?
আমার পলাশ গাছ....
আর পুকুরের জলে গঙ্গা-যমুনা দুটো মাছ ?
প্রতিদিন বিকেলে যারা আমায় দেখায় নাচ।
সবকিছু তোকে দিয়ে চলে যাবো।
শুধু নিয়ে যাবো কৌপিনটুকু ....আর সাধের একতারাটি।
আমাকে যেতে দিবি তো ?
আমাকে যে যেতেই হবে আমি যে মাধুকরি হতে চাই।
চলে যাবো অনেক দূরে।
দিবি তো একমুঠো ভিক্ষা আমাকে ?
একতারাটি ছাড়া সব কিছু দিয়ে যাবো তোকে।
নিবি তো আমার সব কিছুর দায়িত্ব ?
আমার মুঙ্গলি গাই- সকালে যে আমার ঘুম ভাঙ্গায়,
আমার নীলটুসী পাখি....নিত্য যে আমাকে গান শোনায় ?
আমার পলাশ গাছ....
আর পুকুরের জলে গঙ্গা-যমুনা দুটো মাছ ?
প্রতিদিন বিকেলে যারা আমায় দেখায় নাচ।
সবকিছু তোকে দিয়ে চলে যাবো।
শুধু নিয়ে যাবো কৌপিনটুকু ....আর সাধের একতারাটি।
আমাকে যেতে দিবি তো ?
আমাকে যে যেতেই হবে আমি যে মাধুকরি হতে চাই।
২৯) """""""" খাসা ছেলে """""""""
তোর ছেলে, বি এ নাকি পাশ দিয়েছে সদ্য?
আবৃত্তি-তে পারদর্শি আর লিখতে পারে গদ্য?
গাইতে পারে সঙ্গীত আর খেলার মাঠে হিরো,
ব্যাবহার-টি বড্ড ভালো, শান্ত-শিষ্ট বড়ো।
শোন বিস্টু আমার কথা, শুনে রাখ পস্টো,
ছেলেটাকে এমনভাবে করিস না কো নষ্ট।
আমার ছেলে গাবলু বাঁধতে শেখে পেটো
বয়স যখন দশ, কিম্বা আরও অনেক ছোট।
বারো বছরেই শিখে গেছে অশ্লীল সব ভাষা
দাদারা সব বলে মোরে, ছেলে তোমার খাসা।
ছেলে এখন তোলাবাজে করছে বিএ এমএ
ধর্ষণেতেও পি এইচ ডি করবে অচিরেই।
আবৃত্তি-তে পারদর্শি আর লিখতে পারে গদ্য?
গাইতে পারে সঙ্গীত আর খেলার মাঠে হিরো,
ব্যাবহার-টি বড্ড ভালো, শান্ত-শিষ্ট বড়ো।
শোন বিস্টু আমার কথা, শুনে রাখ পস্টো,
ছেলেটাকে এমনভাবে করিস না কো নষ্ট।
আমার ছেলে গাবলু বাঁধতে শেখে পেটো
বয়স যখন দশ, কিম্বা আরও অনেক ছোট।
বারো বছরেই শিখে গেছে অশ্লীল সব ভাষা
দাদারা সব বলে মোরে, ছেলে তোমার খাসা।
ছেলে এখন তোলাবাজে করছে বিএ এমএ
ধর্ষণেতেও পি এইচ ডি করবে অচিরেই।
৩০) “হ্যাপি বার্থ ডে”
দিদুর হাতে নক্সী কাঁথা, কিম্বা ডালের বড়ি,
দাদুর বেতের দারুন ছড়ি, বুক পকেটে ঘড়ি।
দিদুর গায়ে বেনারসী, নাকে নাকছাবি;
দাদুর অঙ্গে মিলের ধুতি, মটকার পাঞ্জাবী।
দিদুর নেশা পান জর্দা, দাদু ওড়ায় পায়রা
দাদুর পায়ে নাগরা জুতো দিদুর মাথায় টায়রা
দিদুর প্রেম প্রমথেশ, দাদুর কাননবালা;
তাই নিয়ে বাড়ির সবার কর্ণ ঝালাপালা।
দিদু বলেন আজকে হোক, পোস্ত কলাই ডাল
দাদু বলেন হয়ে যাক, সুটকী মাছের ঝাল;
দিদু হলেন বধর্মান, আর দাদু বরিশাল,
সকাল সন্ধ্যা ঝগড়া করেই, কেটে গেল কাল।
মেড়াপ বাঁধা হচ্ছে কেন দাদু-দিদুর বাড়ি ;
ছেলে মেয়ে নাতি নাতনি করছে দৌড়-দৌড়ি ?
দাদুর কেন ফোকলা মুখে ধরছে নাকো হাসি,
দিদুর নাকি বয়স আজি পূর্ণ হল আশি।।
দাদুর বেতের দারুন ছড়ি, বুক পকেটে ঘড়ি।
দিদুর গায়ে বেনারসী, নাকে নাকছাবি;
দাদুর অঙ্গে মিলের ধুতি, মটকার পাঞ্জাবী।
দিদুর নেশা পান জর্দা, দাদু ওড়ায় পায়রা
দাদুর পায়ে নাগরা জুতো দিদুর মাথায় টায়রা
দিদুর প্রেম প্রমথেশ, দাদুর কাননবালা;
তাই নিয়ে বাড়ির সবার কর্ণ ঝালাপালা।
দিদু বলেন আজকে হোক, পোস্ত কলাই ডাল
দাদু বলেন হয়ে যাক, সুটকী মাছের ঝাল;
দিদু হলেন বধর্মান, আর দাদু বরিশাল,
সকাল সন্ধ্যা ঝগড়া করেই, কেটে গেল কাল।
মেড়াপ বাঁধা হচ্ছে কেন দাদু-দিদুর বাড়ি ;
ছেলে মেয়ে নাতি নাতনি করছে দৌড়-দৌড়ি ?
দাদুর কেন ফোকলা মুখে ধরছে নাকো হাসি,
দিদুর নাকি বয়স আজি পূর্ণ হল আশি।।
৩১) “”””” ভুত দেখা “””””
ভুত দেখতে গিয়ে আমি তোমায় দেখে ফেলেছি,
সেদিন থেকে তোমায় আমি ভাল বেসে ফেলেছি।
এত গুলো বছর হল শেওড়া গাছটা ছেড়ে,
পেত্নী হয়ে ঘুরে বেড়াই তোমার ঘাড়ে চরে।
প্রথম দিনেই বুঝেছিলাম ঘাড়টা তোমার শক্ত,
তার পরেতেই হয়ে গেলাম তোমার কপট ভক্ত।
সারাজীবন গাধার মতন বইলে আমায় ঘাড়ে,
তবু তুমি ভেব নাকো তোমায় যাবো ছেড়ে।
যমরাজ তবু যদি আমায় নেয় গো তুলে,
অন্য মেয়ের নাম কভু বোলো নাকো ভুলে।
যত দুরেই থাকি আমি স্বর্গে কিম্বা নরকে,
অন্য মেয়ে কাধে নিলেই ঘাড়টা দেব মটকে।
সেদিন থেকে তোমায় আমি ভাল বেসে ফেলেছি।
এত গুলো বছর হল শেওড়া গাছটা ছেড়ে,
পেত্নী হয়ে ঘুরে বেড়াই তোমার ঘাড়ে চরে।
প্রথম দিনেই বুঝেছিলাম ঘাড়টা তোমার শক্ত,
তার পরেতেই হয়ে গেলাম তোমার কপট ভক্ত।
সারাজীবন গাধার মতন বইলে আমায় ঘাড়ে,
তবু তুমি ভেব নাকো তোমায় যাবো ছেড়ে।
যমরাজ তবু যদি আমায় নেয় গো তুলে,
অন্য মেয়ের নাম কভু বোলো নাকো ভুলে।
যত দুরেই থাকি আমি স্বর্গে কিম্বা নরকে,
অন্য মেয়ে কাধে নিলেই ঘাড়টা দেব মটকে।